ভোটের মাঠে সেনাবাহিনী

নির্বাচন ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে সোমবার থেকে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। এরই মধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় তারা ক্যাম্প তৈরির কাজ সম্পন্ন করেছেন। দেশের কোনো কোনো এলাকায় সোমবার টহল দিয়েছেন সেনারা। আন্তঃবাহিনী সমন্বয় সভাও হয়েছে কোথাও কোথাও।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশের ৩৮৯ উপজেলায় সেনা ও উপকূলবর্তী ১৮টি উপজেলায় নৌবাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত থাকছেন। এ ছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকার ৮৭ উপজেলায় বিজিবি সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন। ‘ইনস্ট্রাকশন রিগার্ডিং ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে। আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোনো পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীকে ডাকা হলে তারা সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শক্তি প্রয়োগ ও জড়িতদের গ্রেফতার করতে পারবেন।

সেনাবাহিনী মোতায়েনের পর বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট থেকে পৃথকভাবে বলা হয়, সেনা মোতায়েনের ফলে নির্বাচনের মাঠের পরিস্থিতির উন্নতি হবে। সংঘাত-সহিংসতা কমবে। আওয়ামী লীগ নেতারাও বলছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী মাঠে নেমেছে। তারা কোনো দলের বা পক্ষের নয়। নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে সিভিল প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে সেনাবাহিনী তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে।

সোমবার রাজধানীর কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সেনাবাহিনী নিজ নিজ ক্যাম্প এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মিরপুরের দারুস সালাম এলাকায় কমিউনিটি সেন্টারে সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, ক্যাম্পের সামনের সড়কে ছোট্ট সাইনবোর্ড দেওয়া হয়েছে, ‘সেনা ক্যাম্প’। এ ছাড়া মিরপুর-২ নম্বরে জাতীয় সুইমিং কমপ্লেপের ভেতরে বসানো হয়েছে সেনা ক্যাম্প। গুলিস্তানে মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামসহ আরও কিছু এলাকায় বসানো হয়েছে সেনা ক্যাম্প।

এদিকে আইএসপিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ‘জয়েন্ট কো-অর্ডিনেশন সেল’ স্থাপন করা হয়েছে।

লাইক এবং শেয়ার দিয়ে পাশে থাকুন
20

Comments

comments