যমুনা! যে গল্পের শেষ নেই

যমুনা! যে গল্পের শেষ নেই। যমুনার ভাঙ্গা-গড়া সিরাজগঞ্জবাসীর জীবনের সাথে নিরন্তন মিশে আছে প্রাকৃতিক নিয়মে। চীনের দু:খ হোয়াংহো কিন্তু চীনের সংগ্রামী মানুষ হোয়াংহো কে পরাজিত করতে পারলেও সিরাজগঞ্জের দু:খ যমুনাকে আমরা আজও পরাজিত করতে পারিনি। সিরাজগঞ্জবাসীর প্রতি মুহুর্তের মূর্তমান আতঙ্ক যমুনার করাল গ্রাস। যে কোন মুহুর্তে  রাক্ষুসে যমুনার ভাঙ্গনের ভয়াল থাবা সিরাজগঞ্জে প্রত্যন্ত বা শহরে যেকোন অংশে আঘাত হানতে পারে। এই আতঙ্ক দীর্ঘদিন যাবত সিরাজগঞ্জের মানুষ বুকে ধারন করে যমুনার ভাঙ্গা গড়ার সঙ্গে নিরস্ত্রভাবে সংগ্রাম করে সংগ্রামী জীবন অতিবাহিত করে আসছে। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত কত টাকা,কত যে পরিকল্পনা,কত যে আয়োজন,এই রাক্ষুসে যমুনাকে শাসন করার নামে লুটপাট হয়েছে তার হদিস নেই। বিগত ৪২ বছরে বিভিন্ন সময় ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠী ও সরকারী আমলাদের পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিকল্পিত নীল নকশায় যমুনার ভাঙ্গনকে ট্রাম কার্ট হিসেবে ব্যবহার করে দেশী-বিদেশী লুটপাটের আয়োজন হয়েছে। সিরাজগঞ্জের ৩২ লক্ষ মানুষের প্রাণের দাবী সিরাজগঞ্জ শহরসহ যমুনার স্থায়ী বাঁধ ও নদী শাসন আজও বাস্তবায়িত হয়নি। ক্ষমতার পালাবদলে লুটেরাশ্রেণির পালাবদল হয় মাত্র। এ এক অদ্ভূত লুটেপাটের মিলনমেলা সরকার এবং বিরোধী দলের লুটেরাদের লূটপাট যমুনাকে কেন্দ্র করে। এ গল্পের শেষ কোথায় আমরা সিরাজগঞ্জবাসী জানিনা। শুধু চাই পিতা-মাতা।  র শেষ সম্বল আমাদের পৈত্রিক ভিটা এবং আমাদের সাত পুরুষের চিহ্নিত স্থান এই সিরাজগঞ্জ কে রক্ষা করতে হবে যে কোন মূল্যে। যতদ্রুত সম্ভব স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এবং নদী শাসনের কোন বিকল্প নাই

লাইক এবং শেয়ার দিয়ে পাশে থাকুন
20

Comments

comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.