রংপুর ২ : এগিয়ে জাসদ বিপাকে জাপা

রংপুর ২ আসনে মহাজোটের তিন প্রার্থী ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ আসনে মূল প্রতিদ্ব›িদ্ধতা হবে জাতীয় পার্টি ও জাসদ প্রার্থীর মধ্যে। একেবারে পিছিয়ে বিএনপি। স্বাধীনতার পর তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ আসনে আওয়ামী লীগ নেতা আনিছুল হক চৌধুরী পাঁচবার এমপি নির্বাচিত হন। মাঝখানে ১৯৯১ সালে এ আসনে নির্বাচিত হন জাপা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মাদ এরশাদ। ওই সময় থেকে রংপুরের আসনগুলো জাতীয় পার্টির দখলে চলে যায়। পরপর দু’বার জাতীয় পার্টির দখলে থাকে রংপুর ২ আসনটি। কিন্তু বর্তমানে আসনটি চলে গেছে বাংলাদেশ পুজা উদ্যাপন পরিষদ তারাগঞ্জ উপজেলার সভাপতি জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রংপুর জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক উপজেলা হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের পর-পর তিন বার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান কুমারেশ চন্দ্র রায়ের নিয়ন্ত্রণে। এ আসনের বর্তমান এমপি বদরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক। তার চাচা উপজেলা জাপা সভাপতি আসাদুজ্জামান চৌধরী সাবলু জাতীয় পার্টির মনোনিত প্রার্থী, একেই পরিবারের চাচা ভাতিজা মহাজোটের শরিকদলের প্রার্থী বলে প্রচারণা শুরু করছেন। তাদের শরিকদল জাসদ বলে এলাকার সাধারণ মানুষজনও মনে করছে। জাতীয় পার্টির বদরগঞ্জ উপজেলা সভাপতি আসাদুজ্জামান চৌধরী সাবলু আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডিউক চৌধুরীর চাচা। ফলে দলের নেতাদের তাদের প্রতি নেই ভরসা। বিএনপির নেতা মহাম্মদ আলী প্রার্থী তাদের দলের মধ্যে চলছে নানা গুঞ্জন। জাপার সাবেক এমপি আনিছুল ইসলাম মন্ডল সিংহ প্রতীক নিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। যার ফলে জাপার ধস নেমেছে। জাসদের কুমারেশ চন্দ্র রায় বলেন, আমাকে ১৪ দল থেকে মনোনয়ন দিলে কোন প্রতিদন্দ্বি প্রর্থী ছিল না। তবে জাসদ থেকে মনোনিত হয়ে প্রতীক নিয়ে নির্বাচন প্রচার-প্রচারণায় সাধারণ মানুষ ও ভোটারগণ মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে আমাকে বিপুল ভোটে জয়ী করবে।

লাইক এবং শেয়ার দিয়ে পাশে থাকুন
20

Comments

comments